Friday, March 25, 2016

Translation of a Passage from the Krsna Uddhava Samvada Section of the Eleventh Book of the Bhagavata: The Glory of the Company of the Pure Devotees of the Lord

একাদশ স্কন্ধ
কৃষ্ণ-উদ্ধৱ সংবাদ

মাধৱে বোলন্ত সখি শুনা পৰিচ্ছেদ ৷
পঢ়ে সৱে শাস্ত্ৰ যদি জানৈ চাৰিবেদ ৷৷
কৰিতে নপাৰৈ মোত তথাপি ভকতি ৷
নলৱয় নৰে যাৱে সন্তৰ সঙ্গতি ৷৷ ১৭৩
কাণত কহন্ত কথা কৃষ্ণে গোপ্য কৰি ৷
নাহিকে উপায় সখি সুসঙ্গক সৰি ৷৷
আহ্মাক নপাৱৈ পুনু জ্ঞানী কৰ্ম্মীলোক ৷
সাধুসঙ্গে অৱশ্যেকে বশ্য কৰে মোক ৷৷ ১৭৪
নপাৱৈ মোহোক যাগ যোগ যজ্ঞ দানে ৷
মহামন্ত্ৰ জাপ্য কোটি শত তীৰ্থ স্নানে ৷৷
নপাৱৈ আহ্মাক একাদশী উপৱাসে ৷
নকৰয় বশ্য মোক পৰম সন্ন্যাসে ৷৷ ১৭৫
আন কৰ্ম্ম কৰিয়া মিছাত মৰৈ লোকে ৷
ভকতৰ সঙ্গেশে সম্যকে জানৈ মোকে ৷৷
কহিলোহো মহাগোপ্য কথাক উদ্ধৱ ৷
যিহেতু ভকত তুমি পৰম বান্ধৱ ৷৷ ১৭৬
মোক্ষতো অধিক সখি সাধুৰ সঙ্গম ৷
যাহাৰ ৰেণুক স্বৰ্গসুখো নুহি সম ৷৷
সাধুসঙ্গে অনেকে পাইলেক মোৰ গতি ৷
দেঞঁ লেখা সখি তাক শুনিয়ো সম্প্ৰতি ৷৷ ১৭৭
যক্ষ ৰক্ষ বৃক্ষ পক্ষীপশু পালে পালে ৷
স্ত্ৰী শূদ্ৰ অন্ত্যজাতি অধম চাণ্ডালে ৷৷
ইসৱতো অধিক অনেক পাপমতি ৷
ভকতৰ সঙ্গত পাইলেক মোৰ গতি ৷৷ ১৭৮
বিভীষণ বীৰ বৃষপৰ্ব্বা বলি বাণ ৷
জাম্বৱন্ত জটায়ু সুগ্ৰীৱ হনুমান ৷৷
মালাকাৰ কুজী ধৰ্ম্ম ব্যাধ তুলাধাৰ ৷
দ্বিজভাৰ্য্যা ব্ৰজবাসী গোপী অনাচাৰ ৷৷ ১৭৯
নাহি তপ ব্ৰত শৌচ নপঢ়িলে বেদ ৷
নজানয় জ্ঞান একো শাস্ত্ৰ তত্ত্বভেদ ৷৷
কেৱলে সাধুৰ সঙ্গে সুখে পাইলা গতি ৷
সত্‍সঙ্গত পৰে নাই উপায় সম্প্ৰতি ৷৷ ১৮০
দেৱতো তীৰ্থতো কৰি ভকতেসে বৰ ৷
ভকতক ভজিলে গুচয় কৰ্ম্ম জড় ৷৷
কৰৈ তেৱে ভকতি ঈশ্বৰ মোক মানি ৷
কহিলো তোহ্মাত ইটো সখি সত্যবাণী ৷৷ ১৮১
মঞিঁ এৰে ভকতৰ নাহিকে অন্তৰ ৷
মোৰ সঙ্গ এৰে সৰি সঙ্গতি সন্তৰ ৷৷
এতেকে লৈয়োক সাধুসঙ্গ সৰ্ব্বক্ষণ ৷
শুনিয়োক সখি আৱে সাধুৰ লক্ষণ ৷৷ ১৮২
ভকতেসে সমস্তে পুণ্যৰ হোৱৈ পাত্ৰ ৷
জানি নিজধৰ্ম্ম তেজি মোক ভজৈ মাত্ৰ ৷৷
সুদৃঢ় বিশ্বাসে মোকে কৰিলে নিশ্চয় ৷
সেহি মহাসাধু সখি নাহিকে সংশয় ৷৷ ১৮৩

The Eleventh Book of the Bhagavata
The Dialogue Between Krsna and Uddhava

Madhava said, “Beloved mate, listen to this verdict of mine.
Let one read all the sastras and study all four Vedas.
Yet, one would not have the capacity to do bhakti to me
as long as one does not take the pure-devotees’ company.” 173
Krsna then whispers this secret into the ear of Uddhava,
“O beloved mate! Friend, closest and dearest! There is no other way apart from the company of the pure devotees.
Furthermore, I am not obtained by the doers of prescribed Vedic action or by the intellectualists.
It is only the association with pure-devotees that certainly makes me subservient. 174
I am not obtained through sacrifice, oblations, yoga or through charity.
Nor through incanting great mantras or bathing in billions of tirthas.
Nor can one get me by holding fasts on days like ekadasi, etc.
Nor can supreme renunciation make me subservient. 175
In vain do people die doing these various karmas.
For it is only the company of the bhaktas, the pure devotees, that knows me correctly.
I have told you the most confidential secret, Uddhava!
As you are my devotee and supreme friend! 176
Beloved mate, greater than even salvation is the congregation of pure devotees
even a particle of which the happiness of heaven cannot equal.
By associating with pure devotees, many have already obtained my abode.
I will now read out their list, beloved mate; please listen to it currently. 177
The ghosts (yaksa) and the monsters (raksa), the trees (vrksa) and the birds (paksi) and herds and herds of beasts (pasu),
the women (stri) and the sudras, the lowest among the castes and the untouchables and outcastes (candala).
And many other rascally individuals even worse than these!
By associating with my pure devotees obtained my state. 178
Brave Vibhisana, Vrsaparva, Bali and Bana.
Jambavanta, Jatayu, Sugriva, Hanumana. The garland-maker, the hunchback Kubja, Dharma Vyadha and the bearer of balance. The dvijas’ wives, the residents of Vraja and the Gopis of devious conduct. 179 They did not do even an iota of austerity, holding of vow, ablution and purification; and they never read the Vedas.
They do not know any jnana; have no knowledge at all of the sastras and of the difference between the tattvas.
Solely through the company of pure-devotees, they happily obtained deliverance.
Apart from associating with the pure devotees, there is no other path presently. 180
Greater than even the cosmic-entities (devas) and the pilgrimage-spots (tirthas) are the bhaktas.
When one does worship to the bhaktas, one’s matter-like state resulting from entanglement in desire-actuated material action, is removed.
And only then one does pure devotion to me, knowing me to be the supreme Lord.
O beloved mate! I tell you this word of truth— 181
There is no difference between my pure devotees and me.
The company of the santas is the same as my company.
Therefore, please take the company of the sadhus at all times without a break.
Listen, now, beloved mate, to what is the distinguishing characteristic (laksana) of the saintly one (sadhu). 182
Knowing that only the bhakta is eligible for receiving all religious merit (punya),
the one who, forsaking completely one’s own dharma—the injunctions corresponding to one’s assigned varna etc.—does devotion only to me and who
has resolved unshakably on me solely,
that one, doubtless, is the greatest sadhu only.” 183

No comments:

Post a Comment

Krishna! Please type in your comments below:

Sankaradeva’s Religion: Where Knowledge and Devotion Goes Hand in Hand

The primary impression in the popular mind of the word “devotee” is a highly sentimental one. It is no doubt of someone who has surrender...